ফিরে গেলেন তারা পরিবারে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সায়েস্তারা বেগম। তের বছর আগে ত্রিপুরায় চলে এসেছিলেন।পুলিশ তাকে ধরেছিল বেআইনিভাবে সীমান্ত পেরিয়ে আসার জন্য।
ফরিদপুরের সমীর কুমার মজুমদার,একই বিষয়। তিনি এসেছিলেন ২০১৪ সালে।
দুই জনেরই মানসিকভাবে অসুবিধা ছিল।

তাদের চিকিৎসা হয়। সুস্থ হন। তারা আজ পরিবারের কাছে ফিরে গেছেন।

আগরতলার ইন্টারন্যাশনাল চেক পোস্ট দিয়ে তারা আজ ফিরে গেছেন দেশে। ছিলেন বাংলাদেশে সহকারী হাইকমিশনার মহম্মদ জয়দেব হোসেন।
আরও বাইশজন এমন বাংলাদেশের নাগরিক আগরতলায় চিকিৎসার আওতায় আছেন। তাদের বারজন মোটামুটি সুস্থ, তাদেরও দেশে পাঠানো হবে।
পরিবারের মানুষ খুব আনন্দিত,সেটাই স্বাভাবিক।

বিথি আখতার নামে এমনই একজন গতবছর এই চেক পোস্ট দিয়ে পরিবারের কাছে ফিরে গেছেন।

সাব্রুম সীমান্তে কোভিডের বাড়াবাড়ি সময়ে মানসিকভাবে অসুস্থ একজন ফেনি নদীর চড়ায় প্রায় তিন সপ্তাহ ছিলেন। ভারত এবং বাংলাদেশ, দুই পক্ষই তাকে কোনও দিকেই আসতে দিচ্ছিল না। দুই দিকেরই দাবি ছিল, তিনি তাদের দেশের নাগরিক নন।
পরে অবশ্য বাংলাদেশেই তার পরিবারের খোঁজ পাওয়া যায়, এবং তার ভাইয়েরা তাকে নিয়ে যান।
সেই সময়েই সেই সীমান্তেই একাধিক এরকম মানুষের উপস্থিতি পাওয়া যায়। এক-দুই ক্ষেত্রে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়, একজনকে চিকিৎসা দেয়া হয়।

নিরাপত্তা বাহিনীর একটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে, এই রকম অসুস্থদের এদিকে আসার একটা প্যাটার্ন তৈরি হয়েছে। তাদের সন্দেহ, এদিকে তাদের পাঠিয়ে দেয়া হয়। তারা চিকিৎসা পেয়ে সুস্থও হয়ে যান।

COMMENTS