ত্রিপুরার প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র জিবিপি হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব মিটিঙ করছেন।

ত্রিপুরার প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র জিবিপি হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব ডাক্তার ও অন্যান্যদের সাথে মিটিঙ করছেন। নানা বিষয়ে কথা হয়েছে। ডাক্তাররা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে, অন্যরাও, তাদের কথা বলেছেন, দাবি সনদ দিয়েছেন। নতুন চুক্তিবদ্ধ ডাক্তাররা বেতন পাচ্ছেন না, নতুন সিটিস্ক্যান মেশিন কেনার প্রস্তাব দিয়েছেন কেউ কেউ। ‘স্পেশাল নার্স’-দের কাজে লাগানোর কথা এসেছে কোভিড ওয়ার্ডে। আবার জরুরী ওষুধ আনতে অনেক দেরি হচ্ছে, জেলা হাসপাতালেও অনেক সমস্যা আছে, জিবিপি হাসপাতাল প্রায়োরিটিতে আছে, কিন্তু জেলাকে ফেলে দিলে চলবে না, ইত্যাদি কথা হয়েছে। এসি মেশিন চালালে কোভিড হয় না, আগে করোনা বলে-কয়ে আসতো, আক্রান্তের কনাক্ট ট্রেসিং করা হত, এক বিধায়ক দু’দিন আগেও তার সাথে কথা বলে গেছেন, ইত্যাদি। তিনি কোভিড ওয়ার্ডে এসি চালু করে দিতে বলেছেন। একটি সিটিস্ক্যান মেশিনের টাকা দীর্ঘদিন ধরে বাকি পরে আছে। দু’বছর ধরে ফাইল আটকে আছে। সেই টাকা মিটিয়ে দিতে বলা হয়েছে। আলোচনায় শোনা গেছে, সচিব বলছেন, লোকের অভাব নেই। এখনই নতুন ডাক্তার স্থায়ীভাবে নিয়োগ হচ্ছে না, সেটা বোঝা গেছে। অস্থায়ী হিসেবে হতে পারে। এক ডাক্তার প্রস্তাব দিয়েছেন, রোগীর পরিবার এবং চিকিৎসকদের মধ্যে ‘অবিশ্বাস’ কমিয়ে আনতে এনজিও, ইত্যাদি থেকে ভলান্টিয়ার দিতে। আবার রোগীকে সাহায্য করার জন্য ‘এটেনডেন্ট’ হিসবে ভলান্টিয়ারের কথা এসেছে, এ নিয়ে তাদের মধ্যে মতের পার্থক্যও আছে। প্রাক্তন এক সুপার বলেছেন, পরিবারের লোককে দিতে। আবার ফ্লোর ম্যানেজমেন্ট নিয়েও কথা আছে। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায় বলেছেন, জিনিপি হাসপাতালে আর অসুবিধা হবে না। তাছাড়াও বলেছেন, মানুষ জিবিপি হাসপাতালেই থাকবেন বলে থেকে যান, ইত্যাদি ইত্যাদি ।

COMMENTS